1. suhagranalive@gmail.com : admin :
April 13, 2021, 9:30 am
শিরোনাম:
আজ পিরোজপুরে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস পিরোজপুরে গাঁজা চাষি ডিবি’র হাতে গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় নৌকার রাজনীতিতে সুবাতাস বইছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে পিরোজপুরে বিসিক শিল্প মেলা শুরু বঙ্গবন্ধুর বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এনে দিলো বাঙালির স্বাধীনতা যথাযোগ্য মর্যাদায় পিরোজপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শিশু দিবস পালিত বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশুদের মাঝে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান আজ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ভয়াবহ সংঘর্ষ এড়াতে বরগুনার গুলিয়াখালীতে প্রশাসনের ইউনিয়নে ১৪৪ ধারা ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত, ইমন চৌধুরী সভাপতি আব্বাস তালুকদার সম্পাদক নির্বাচিত

হোমিও চিকিৎসায় একজন করোনা যোদ্ধার জয়ী হওয়ার গল্প কিভাবে মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরলেন

  • প্রকাশের সময় Friday, June 26, 2020
  • 635 জন দেখেছেন

জুবায়ের আল মামুন,সম্পাদক,দক্ষিণাবার্তাঃ
হাসান মামুন ভাই এর ফেইস বুক আইডির পোস্ট তুলে ধরলাম আলহামদুলিল্লাহ প্রিয় ভাই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ভাল হয়ে গেছেন-আলহামদুলিল্লাহ!সকল প্রসংশা মহান রাব্বুল আলামিনে।

আমি হাসান_মামুন। রোগ মুক্তির মালিক হচ্ছেন মহান আল্লাহ্তালা। তবুও চিকিৎসা মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমতে আমরা সুস্থ্ হই। আমি বিগত ৫ জুন থেকে অসুস্থ্য হই। ৫ দিন ঘরে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য না হবার কারনে জ্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে খুলনা হাসপাতালে ১২ জুন ভর্তি হই। সেখানে অামাকে অক্সিজেন সার্পোটে রাখা হয়েছিল তবুও আমার কোন উন্নতি না হওয়াতে এবং করোনা পজিটিভ হওয়াতে অামাকে করোনা চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও ১৯ জুন পর্যন্ত অক্সিজেন চলছিলো। তবুও অামার শ্বাসকষ্ট এতটুকু কমেনি ও অক্সিজেনের স্যাচুরেশন বাড়েনি। এমতাবস্থায় আমার ছোট ভাইয়ের বন্ধু Md. Mijanur Rahman Sumon এর মাধ্যমে ডা. বিপুল চৌধুরীর খোঁজ পাই। তার সাথে অনেক কষ্টের সহিত কথা বলি। তিনি দ্রুত ঔষধ লিখে দেন। ১৯ তারিখ রাতে ঔষধ হাতে পাই। এই রাতে দুই ডোজ খাবার পর থেকেই আল্লাহর রহমতে ক্রমান্বয়ে ভালো অনুভব করি। পরদিন ২০ তারিখে সারাদিন ও রাতে অারো চার ডোজ ঔষধ খাই। আলহামদুলিল্লাহ এর পর থেকে অনেক সুস্থ হয়ে যাই। ২১ তারিখে ফজরে নামাজ পড়লাম ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও দোয়া চাইলাম। ঐদিন থেকে অার অক্সিজেন লাগেনি বললেই চলে। সত্যিই আমি ডা. বিপুল চৌধুরীর (দাদা) কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ আমার অন্তিম মুহুর্তে তিনি আমার পাশে এসে আমাকে সার্পোট দিয়েছেন। আমি ভাবতেই পারিনি হোমিওপ্যাথি ঔষধ এতটা কার্যকরী ও এত দ্রুত কাজ করে!হোমিওপ্যাথির উপর আস্থা ও ভালোবাসা বহুগুনে বেড়ে গেল। বর্তমানে আমি আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ্ আছি। সবার কাছে দোয়া চাই যেন জীবনের অবশিষ্ট দিনগুলো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারি। আরো ধন্যবাদ জানাচ্ছি ছোট ভাই মিজানুর রহমান সুমনকে। ও নিজের ভাইয়ের মতই সবসময় দিন রাত খোজ নিয়েছে। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মানুষ।

শেয়ার করুন

একই ধরনের খবর
ব্রেকিং নিউজ